আজ থেকে
৩ বছর পর
তোমার জীবন
তুমি কি নিজের পরিকল্পনায় সেখানে পৌঁছাবে — নাকি স্রেফ স্রোতে ভেসে যাবে?
আজ থেকে ঠিক ৩ বছর পর তোমার জীবন প্রায় একই রকম থাকবে — যদি না তুমি আজ একটা বড় সিদ্ধান্ত নাও।
স্রোতে ভাসা, নাকি নিজের পথ তৈরি করা?
৩ বছর পর তুমি জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে তো অবশ্যই পৌঁছাবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো — তুমি কি তোমার নিজের পরিকল্পনায় সেখানে পৌঁছেছো, নাকি ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে স্রেফ স্রোতে ভেসে সেখানে গেছো?
লক্ষ্য ছোট নয় — ছবিটাই অস্পষ্ট
বেশিরভাগ মানুষ লক্ষ্য ছোট হওয়ার কারণে ব্যর্থ হয় না। তারা ব্যর্থ হয় কারণ তাদের সামনে ভবিষ্যতের কোনো পরিষ্কার ছবি নেই। যার ফলে তারা কোন দিকে যাবে, তা বুঝে উঠতে পারে না।
তুমি যদি তোমার গন্তব্য কল্পনায় দেখতেই না পাও, তবে তুমি সেই দিকে জীবনকে নিবে কীভাবে?
চোখ বন্ধ করো। গভীরভাবে ভাবো। ৩ বছর পর —
প্রতিটি বড় পরিবর্তন এইভাবেই শুরু হয়েছিল
আমার জীবনের প্রতিটি বড় আর মিনিংফুল পরিবর্তন ঠিক এইভাবে শুরু হয়েছিল। আমি সেটা বাস্তবে পাওয়ার অনেক আগেই নিজের মনের ভেতরে তা পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলাম।
মনে রেখো, তোমার ভবিষ্যৎ ৩ বছর পর তৈরি হয় না। ওটা আজকেই তৈরি হয়। তোমার ভবিষ্যৎ আজ থেকে ৩ বছর পর হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। ওটা তৈরি হচ্ছে আজ, এই মুহূর্তে তোমার নেওয়া ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলোর মাধ্যমে।
তোমার প্রতিটি চয়েস বা ডিসিশন হয় তোমার সেই কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের ছবির সাথে মিলছে — নয়তো সেটাকে দূরে ঠেলছে।
ঘুমানোর আগে একটা ডায়েরিতে একটি প্যারাগ্রাফ লেখো, যার টাইটেল হবে —
-
১খুব নির্দিষ্ট করে লেখো। অস্পষ্ট শব্দ নয়, নির্দিষ্ট বাস্তবতার ছবি আঁকো।
-
২সাহসের সাথে বড় স্বপ্ন নিয়ে লেখো। Bold হও। ছোট স্বপ্ন লিখতে অভ্যস্ত? আজ থেকে বদলাও।
-
৩নিজের মনের কাছে একদম সৎ থেকে লেখো। যা সত্যিই চাও, তাই লেখো — লোকে কী ভাববে সেটা নয়।
তুমি যদি নিশ্চিত হও যে, তুমি কোথায় যাচ্ছো — তাহলে পুরো দুনিয়া তোমাকে পথ করে দেবে।